বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের জনপ্রিয় খেলা রয়েছে এর মধ্য ক্রিকেট একটি অন্যতম জনপ্রিয় খেলা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই খেলায় অংশ গ্রহন করে থাকে। এশীয়া মহাদেশেও ক্রিকেট খেলার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। বাংলাদেশও এই ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহন করে থাকে। বিভিন্ন দেশের সাথে প্রতিযোগিতা করে থাকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের মাধ্যমে। ক্রিকেট অঙ্গনে বাংলাদেশের এক বিশেষ সুপরিচিতি রয়েছে।
মুস্তাফিজ-তাসকিনের মতো পেসাররা ঝড় তুলে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর দ্রুতই ঝিমিয়ে পড়েছেন। তাই বিপিএলে যে তরুণ বোলাররা ভালো করছেন তাদের বেশি প্রশংসা না করতে অনুরোধ করেছেন খুলনা টাইগার্স ক্যাপ্টেন। তরুণদের ব্যপারে গতকাল খেলা শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন মুশফিক। মুশফিকের কথোপকথনটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

প্রশ্ন: টানা তিন জয়ের পর হঠাৎ করে হার! কেন?
মুশফিক: যে কোনো ফরম্যাটেই সবাই চায় মোমেন্টামটা ধরে রাখতে। টি-২০ ফরম্যাটে প্রত্যেকটা ম্যাচ জেতা সহজ নয়। আপনি কোন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কোন অবস্থায় খেলছেন, এটা কোনো বিষয় নয়। কারণ নির্দিষ্ট দিনে যে ভালো খেলবে, সে-ই জিতবে।

প্রশ্ন: সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ আছে কিনা?
মুশফিক: সেটা তো কয়েক দিন আগে চলে গেছে, সত্যি বলতে ওটা আমিও ভুলে গেছি। আপনারা আবার মনে করিয়ে দিলেন। আমার সব সময় চেষ্টা থাকে দলের জয়ের অবদানে সবচেয়ে বেশি কন্ট্রিবিউশন যেন আমার থাকে। একজন অধিনায়ক হিসেবে আমি সব সময় চাই সেটা করতে।

প্রশ্ন: আগের ম্যাচে ৯৬ রান করার পর কোচ আপনাকে ’৩৬০ ডিগ্রি’ সার্টিফিকেট দিয়েছেন?
মুশফিক: কই ভাই আমি তো জানি না। কোচ বলেছেন…। ভাই, দুই ম্যাচও লাগে না কিন্তু ৩৬০ ডিগ্রি থেকে শূন্য ডিগ্রিতে আসতে! এটা বাংলাদেশ, এটা আমি কখনোই বিশ্বাস করি না। আমি নিজেকে কখনোই এরকম খেলোয়াড় মনে করি না।

প্রশ্ন: আইপিএলে দল না পাওয়ায় আক্ষেপ আছে কি?
মুশফিক: সত্যি বলতে আমি তো প্রথম থেকেই জানি, হয়তো বা আমাকে নেবেই না। তো শুধু শুধু নাম দিয়ে লাভ নেই। পরে তারাই যখন রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে, ভাবলাম কোনো সুযোগ হয়তো থাকতে পারে। কিন্তু হয়নি। এটা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।

প্রশ্ন: বিপিএলে তরুণ বোলাররা ভালো করছেন…
মুশফিক: এখন মাত্র কয়েকটা ম্যাচ গেছে। এখনই খুব বেশি বিচার না করে তাদের আরও কিছু ম্যাচ খেলতে দেন, এখনই তাদের (তরুণ বোলার) মাথায় তুলবেন না। এটা আমার অনুরোধ থাকবে। সামনে বিশ্বকাপ আছে না কী আছে- সেগুলো ওদের বলার দরকার নেই। তাদের চাপ দেবেন না। তাদের ফ্রিলি খেলতে দেন ২-৩ বছর, তাহলেই আপনারা বুঝতে পারবেন কে আসছে আর কে যাচ্ছে। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু টি-২০ নয়, ওয়ানডে এবং টেস্টেও। আমার এটাই একটা অনুরোধ থাকবে, আপনারা তাদের ফ্রিলি খেলতে দেন। তাদের খেলাটা উপভোগ করতে দেন। তাদের ভিতর ওই প্রেশারটা দেবেন না যে, আরেকটু ভালো করলে হয়তো বিশ্বকাপে (সুযোগ) পেতে পার। তাদের ব্যক্তিকেন্দ্রিক বানিয়ে দেবেন না। তারা টিমম্যান হিসেবে খেলছে, তারা যেন ব্যক্তি পারফরম্যান্সের দিকে না তাকিয়ে টিমের দিকেই বেশি ফোকাস দেয়। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এটা শুধু তাদের ক্যারিয়ার নয়, দেশের জন্যও দরকার। কারণ তারা দেশকে রিপ্রেজেন্ট করবে। তারা যেন নিজের আগে দেশের কথা ভাবে।

বিভিন্ন দেশের সমন্বয়ে গঠিত হয়ে বিশ্বকাপ খেলার আয়োজন করে থাকে আইসিসি। ক্রিকেট খেলার সর্বচ্চো নীতি নির্ধারক আইসিসি। বিশ্বকাপ খেলার পাশা-পাশি অনেক দেশ নিজেদের দেশে বিভিন্ন খেলার আয়োজন করে থাকে। বাংলাদেশও এমন খেলার আয়োজন করে থাকে। এই খেলাকে বিপিএল বলা হয়ে থাকে। বিপিএল হল সংক্ষেপ রূপ। এই খেলায় অনেক নামি-দামি খেলোওয়াররা অংশগ্রহন করে থাকেন।