ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম নীতি নির্ধারক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। সংক্ষেপে আইসিসি বলা হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ক্রিকেট খেলায় অংশ গ্রহন করে থাকে। ক্রিকেট অঙ্গনে বিভিন্ন ধরনের আর্ন্তজাতিক খেলার আয়োজন করে থাকে আইসিসি। তা ছাড়াও নানা নিয়ম কানুন রয়েছে আইসিসির। ক্রিকেট খেলায় অংশ গ্রহন করার জন্য প্রতিটি দেশ ও খেলোওয়াররা এই আইসিসির নিয়ম-কানুন মানতে বাধ্য।
আইসিসির কোপে পড়ে নিষিদ্ধ হওয়া বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে পদে পদে মিস করছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। চলতি বিপিএলও যেন সাকিবকে ছাড়া রং হারিয়েছে। সাকিবের না থাকা মানে একজন স্পেশালিস্ট বোলার এবং একজন স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান না থাকা। তার মতো অল-রাউন্ডার বিরল। অন্যদিকে সম্ভাবনা থাকলেও অল-রাউন্ডার হিসেবে ততটা পূর্ণতা পায়নি মাহমুদউল্লাহর ক্যারিয়ার। তবে বারবার নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। যেমনটা দিলেন গতকাল।

রংপুর রেঞ্জার্সের বিপক্ষে বিপিএলের ম্যাচে গতকাল নিজের একশ ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি উইকেট পূরণ করেছেন মাহমুদউল্লাহ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেভাবে বোলিং করা হয়ে ওঠে না। সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে বোলিংয়ে অবদান রাখার চ্যালেঞ্জ মাহমুদউল্লাহর সামনে। সেইসঙ্গে তিনি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের অধিনায়কও বটে। বিপিএলের মাঝেই সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানালেন, বল হাতে সাকিবের মতো অল-রাউন্ড অবদান রাখার বিষয়টি তার ভাবনায় আছে।

টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের বদলে একজন বাড়তি স্পিনার দলে নিলে একজন ব্যাটসম্যান কমে যাবে। আর মাহমুদউল্লাহ যদি সাকিবের ভূমিকা নিতে চান, তবে তাকে চার ওভারই বল করতে হবে। নিজের ভাবনা নিয়ে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, সাকিবের সঙ্গে যদি নিজেকে পরিমাপ করতে যাই, তাহলে সেটা করাও ঠিক হবে না। সাকিব একজনই। আমরা সবাই জানি, ও কতটুকু ক্যাপাবল ওর ক্রিকেট স্কিল বা ক্রিকেট ব্রেইন দিয়ে। আমি চেষ্টা করব। ওর মতো বোলিংয়ে যদি অবদান রাখতে পারি, তাহলে খুশি হব।

নিজের অবস্থন পরিস্কার করে তিনি আরও বলেন, আমি সবসময় নিজেকে ব্যাটিং অলরাউন্ডার ভাবি। ব্যাটিং বেশি গুরুত্ব পায়। বোলিংটা আমার বাড়তি সুবিধা। জাতীয় দলে এখন বেশি অপশন আছে। আফিফ আছে মোসাদ্দেক আছে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তারা খুবই কার্যকর বোলার। বোলিংয়ে আমি সবসময় নিজের সামর্থ্য দেখাতে চাই। শেষ ৭ মাস আমি বোলিং করিনি। তখন মোসাদ্দেক ভালো করেছে, আফিফ খুব ভালো স্পিনার। ওরা যেহেতু ছন্দে আছে তাই ওরা ভালো অপশন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট খেলার মধ্য দিয়ে বিশ্ব ব্যাপী সুপরিচিত। ক্রিকেট খেলার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে বাংলাদেশে। অনেকেই এই খেলায় অংশ গ্রহন করে থাকে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশের ক্রিকেটকে নিয়ন্ত্রন করে থাকে। এই বোর্ডকে সংক্ষেপে বিসিবিও বলা হয়ে থাকে। এই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।