বাংলাদেশ একটি স্বধীন রাষ্ট্র। এই দেশের রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলা। ২১ শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়ে থাকে। এই মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী সমাজের অনেক গূণী ব্যাক্তিদের মাঝে ২১ শে পদক প্রদান করে থাকেন। রাষ্ট্রীয় বিশেষ সম্মাননা হিসাবে বিবেচিত ২১ শে পদক। প্রতিবছর এই পদক প্রদান করা হয়ে থাকে। সমাজের বিভিন্ন ধরনের ভাল কাজের অবদানের জন্য সম্মান জানানো হয় এই পদকের মধ্য দিয়ে।
’একুশে পদক-২০২০’ কিভাবে ভুল বানানে তৈরি হলো তা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের অফিস আদেশ জারি করেছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। আজ রবিবার এ আদেশ প্রকাশ করা হয়। কমিটি যদি পদকের বানানের ভুলকে গুরুতর বিষয় হিসেবে অভিহিত করে, তবে পদকপ্রাপ্তদের কাছ থেকে পদক সংগ্রহ করে সেগুলো সঠিক বানানে লিখে আবার ফেরত দেওয়া হবে।

আদেশে জানানো হয়, ’ভুল ও জোড়াতালির বানানে একুশে পদক’ শিরোনামে ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার প্রেক্ষিতে তদন্তের জন্যে এ আদেশ জারি করা হলো। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. শওকত আলীকে সভাপতি, যুগ্মসচিব হাসনা জাহান খানমকে সদস্য এবং সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমিন নাহারকে সদস্য সচিব করে এ কমিটি গঠনে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি গতকাল মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। তিনি বলেন, ’একুশে পদকের বানানে কেন এমন হলো তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। কমিটির সদস্যরা পদকপ্রাপ্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পদক দেখে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সুপারিশ করবে।’

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে অনেকেই ২১ শে পদকে ভূষিত হয়েছেন। সম্প্রতি এই পদক নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা সমালোচনা। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের এমন পদকে ভুল বানানে ভরা। দেশের এমন গুরুত্ব পূর্ন পদকে বানান ভুল। সমাজের অনেকই এই বিষয় মেনে নিতে পারছে না। এই ভুল বানানে ভরা পদক সংশোধনের জন্য বিশেষ ভাবে কাজ করছে দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যাক্তিরা।