ওবায়দুল কাদের বাংলাদশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের একজন রাজনীতিবীদ। তিনি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতির সাথে যুক্ত। তিনি আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের পদে নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ সরকারের সড়ক ও সেতুমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রাজনীতি জগতে একজন সফল নেতা। সম্প্রতি, আওয়ামীলীগের ২১ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে পুনরায় দলের সাধারন সম্পাদকের পদের জন্য নির্বাচিত হন ওবায়দুল কাদের।
নেতিবাচক রাজনীতির কারণেই মানুষ বিএনপিকে চায়না বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ৯০ শতাংশ মানুষ বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতির বিরুদ্ধে। এই সংখ্যা আরও বাড়বে। তারা তলানীতে গিয়ে ঠেকবে। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে শীতার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণে গঠিত টিমের সমন্বয় সভায় এসব কথা বলনে তিনি। কাদের আরো বলেন, নির্বাচনের আগে নির্বাচন সম্পর্কে বিএনপির মন্তব্য হাস্যকর। তারা গণতন্ত্রের ভাষা বোঝে না, তারা আইন-আদালত কিছুই মানেন না। তাদের একমাত্র লক্ষ্য যেকোন উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়া এবং হত্যা, খুন এবং লুটপাটের রাজনীতি চর্চা করা। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে না পারলে চোরাইপথে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য রয়েছে তাদের।

তিনি বলেন, সিটি নির্বাচন ফ্রি ফেয়ার হবে, আমরা আশ্বস্ত করছি। নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ বিএনপির পুরোনো স্বভাব। তারা নির্বাচনে যোগ দিয়েছে, তাদের সাধুবাদ। ইভিএম ব্যবস্থায় যত নির্বাচন হয়েছে, সেখানে কোথাও কারচুপির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। শীতার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণে গঠিত টিমের সমন্বয় সভায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরনের লক্ষ্যে দুটি টিম গঠন করা হয়েছে। ১১, ১২ এবং ১৩ জানুয়ারি এই কার্যক্রম চলবে। একটি যাবে উত্তরাঞ্চলের শীতপ্রধান জেলাগুলোতে। ৬ তারিখে সাভার এলাকায়, ৭ তারিখে মহাখালীতে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।

আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি রাজনৈতিক দল। পর পর তিন বার জনগনের ভোটের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত হয়েছে এই দল। গনতন্ত্র দেশে জনগনের মতামতের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। জনগন ভোটের মাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশ করে থাকে। এই ভোট ব্যাবস্থা জনগনের মৌলিক অধিকার। রাষ্ট্রের সফলতা এবং ব্যার্থতা নির্ভর করে জনগনের প্রতিনিধিত্ব করা নেতার উপর।