বাংলাদেশের একজন রাজনৈতিক নেতা আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এছাড়াও তার আরো একটি বিশেষ পরিচয় রয়েছে তিনি বাংলাদেশের একজন মুক্তিযোদ্ধা। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতির সাথে সক্রিয়। তিনি বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ দলের সাথেও সক্রিয়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্প্রতি রাজাকারের তালিকা নামে যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেটি আসলে রাজাকারের তালিকা নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এটি কোনো রাজাকারের তালিকা নয়, আলবদর, আলশামস এর তালিকা নয়। দালাল আইনে অভিযুক্তদের তালিকা এটি। নোট দেয়া সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সবার নাম প্রকাশ করায় এর পুরো দায় ওই মন্ত্রণালয়ের। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গেল রোববার (১৫ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১০ হাজার ৭৮৯ ব্যক্তির নাম প্রকাশ করে সেটিকে রাজাকারের তালিকা বলে উল্লেখ করে। ওই তালিকায় গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধাদের নামও রয়েছে। বিষয়টি প্রকাশে আসার পরই ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর দুই মন্ত্রণালয় একে অপরের দিকে আঙুল তোলা শুরু করে।

স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর প্রকাশিত হয়েছে রাজাকারের তালিকা। এই তালিকা ভুলে ভরা। এই তালিকাকে কেন্দ্র করে সাড়া দেশ ব্যাপী সমালোচিত। দেশের জন্য যারা জীবন দিয়েছে এবং যারা দেশ ও জাতির হয়ে কাজ করেছে তাদের ও নাম উঠেছে এই তালিকায়। সমাজের গুনী ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিরা এই তালিকা সংশোধন করার জন্য মতামত প্রকাশ করছেন।
রাজাকারের তালিকা পুরো দায় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Logo
Print

 

বাংলাদেশের একজন রাজনৈতিক নেতা আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এছাড়াও তার আরো একটি বিশেষ পরিচয় রয়েছে তিনি বাংলাদেশের একজন মুক্তিযোদ্ধা। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতির সাথে সক্রিয়। তিনি বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ দলের সাথেও সক্রিয়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্প্রতি রাজাকারের তালিকা নামে যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেটি আসলে রাজাকারের তালিকা নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এটি কোনো রাজাকারের তালিকা নয়, আলবদর, আলশামস এর তালিকা নয়। দালাল আইনে অভিযুক্তদের তালিকা এটি। নোট দেয়া সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সবার নাম প্রকাশ করায় এর পুরো দায় ওই মন্ত্রণালয়ের। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গেল রোববার (১৫ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১০ হাজার ৭৮৯ ব্যক্তির নাম প্রকাশ করে সেটিকে রাজাকারের তালিকা বলে উল্লেখ করে। ওই তালিকায় গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধাদের নামও রয়েছে। বিষয়টি প্রকাশে আসার পরই ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর দুই মন্ত্রণালয় একে অপরের দিকে আঙুল তোলা শুরু করে।

স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর প্রকাশিত হয়েছে রাজাকারের তালিকা। এই তালিকা ভুলে ভরা। এই তালিকাকে কেন্দ্র করে সাড়া দেশ ব্যাপী সমালোচিত। দেশের জন্য যারা জীবন দিয়েছে এবং যারা দেশ ও জাতির হয়ে কাজ করেছে তাদের ও নাম উঠেছে এই তালিকায়। সমাজের গুনী ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিরা এই তালিকা সংশোধন করার জন্য মতামত প্রকাশ করছেন।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.