বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের একজন নেতা ওবায়দুল কাদের। ছাত্র জীবন থেকে তিনি রাজনীতীর সাথে জড়িত। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন মন্ত্রী তিনি। এছাড়াও তিনি আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দ্বায়ীত্ব পালন করছেন। বর্তমান সময়ে ওবায়দুল কাদের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।
আদালতে হট্টগোল এবং নাশকতার মাধ্যমে বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়া স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ফখরুল সাহেব, আওয়ামী লীগের বিদায়ঘণ্টা বাজবে না। বিএনপির বিষোদগারে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হবে না।

আজ শনিবার লালদীঘির ময়দানে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। বিএনপির মহাসচিবকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ফখরুল সাহেব, ক্ষমতা যদি চান আরেকটা নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। নির্বাচনই পারে ক্ষমতার পালাবদল করতে। তিনি আরো বলেন, আদালত অঙ্গনকে রণাঙ্গন বানিয়ে ক্ষমতায় যাবেন, বিশৃঙ্খলা তৈরি করে তাহলে বোকার স্বর্গে বাস করছেন।’ মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, ’ফখরুল সাহেব, আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে পারবেন না।

দলের চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবিতে যে দলটি রাস্তায় দুই মিনিট দাঁড়াতে পারে না তাদের মুখে গণঅভ্যুত্থানের কথা হাস্যকর বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়া দুই বছর কারাগারে। তাঁর মুক্তির দাবিতে দুই মিনিটও রাস্তায় দাঁড়াতে পারে না। তারা করবে গণঅভ্যুত্থান? আর আমরা ঘরে বসে বসে আঙুল চুষব? এটা যদি ভাবেন, বড় বোকামি করছেন। আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয়বাদীদল বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে একাধিক মামলা হয়। বেশ কয়েকটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন তবে দূর্নীতির দ্বায়ে সাজা খাটছেন। তার জামিনের জন্য বিএনপি নেতা কর্মীরা নানা পদক্ষেপ গ্রহন করছেন। বিভিন্ন ঝামেলার সম্মুখীনে বাধা গ্রষ্থ হচ্ছে তার জামিন। বিএনপি নেতা কর্মীরা তার জামিনের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।