বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল আাওয়ামীলীগ। বর্তমান বাংলাদেশের সরকারের দ্বায়ীত্ব পালন করছে আাওয়ামীলীগ দল। এই দলের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ওবায়দুল কাদের এছাড়া ও তিনি সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী পদে রয়েছে। তিনি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতির সাথে সংযুক্ত। দেশের স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে তার বিশেষ অবদান রয়েছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ও অংশগ্রহন করে ছিলেন।
অনুমতি না নিয়ে বিএনপির সভা-সমাবেশ করার ঘোষণাকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, অনুমতি না নিয়ে সভা-সমাবেশ করার সেই সাহস, শক্তি বা সক্ষমতা বিএনপির নেই।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি তাদের নেত্রীকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে ৫০০ কর্মী নিয়ে একটি মিছিল-মিটিং করতে পারেনি। তারা কিভাবে অনুমতি না নিয়ে সভা-সমাবেশ করবে। বিষয়টি হাস্যকর ছাড়া কিছুই নয়। আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম, তখন আমরাও অনুমতি না নিয়ে সভা-সমাবেশ করতে পারিনি। আমাদের সময় এমনও হয়েছে, আগের দিন রাতে আমরা সভার অনুমতি পেয়েছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সড়ক আইনের সমস্যা সমাধানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছি। যখন পরিবহন নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে আমার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তারা তাদের দাবি জানিয়েছে, আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। এই মুহূর্তে কিছু করা সম্ভব না। সংসদে যেহেতু আইন পাস হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও বিষয়টি আলোচনা করব।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আইনের প্রয়োগে যতটা সহনীয়ভাবে দেখা যায় দেখব। যখন অচলাবস্থা হয় তখন মিডিয়াও বলে ভোগান্তি হচ্ছে। সব বন্ধ হলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। বাস্তবতার নিরিখে রয়ে-সয়ে চলতে হবে। কারণ বাস্তবতা ভিন্ন। আইনের বিধি হয়ে গেলে অনেক কিছু সমাধান হবে। সবার আলোচনার প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিদ্ধান্ত তো চাপিয়ে দেয়া হয়নি, সবার সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পরিবহন নেতাদের কাছে সরকার জিম্মি কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কারও কাছে কেউ জিম্মি নয়। পরিবহনের সঙ্গে দুই দিনের অবস্থা বিচার করে দেখেন। মিডিয়া বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচকভাবে আইনের পক্ষে অবস্থা নিয়েছে। তবে এক সপ্তাহ অচলাবস্থা হলে মিডিয়ার সুর পাল্টে যাবে। প্রথম দুই-তিন দিন আপনারা আইনের পক্ষে থাকবেন। পণ্য সরবহরাহ বন্ধ হলে কী হবে?

সরকার পরিবহন নেতাদের জন্য পিছু হটল কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, পিছু হটার বিষয় নেই। যা বাস্তব, দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী যে বিষয় নিয়ে আমাদের অবস্থান নেয়া দরকার, আইনি ব্যবস্থা রেখে জনস্বার্থে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দেশে তো ধর্মঘট নেই, আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে পারি তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতে। কিন্তু তাতে যা হবে তা কি বাস্তবসম্মত হতো।

সম্প্রতি, সময়ে বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন আইনে বিশেষ ধারা উল্লেখ করে ২০১৮ আইন পাশ হয়। এই আইনে দ্বিমত পোষন করে শ্রমিকরা। এরই ধারাবাহিকতায় পরিবহন ধর্মঘাট ডাকে এবং আইনের সংশোধন করার আহব্বান জানান। তবে স্বরাষ্টমন্ত্রী এর সঙ্গে বিশেষ আলোচনায় শ্রমিকরা ধর্মঘাট বর্জন করে। তবে এই আইন বহাল থাকবে বলে ও জানান স্বরাষ্টমন্ত্রী।