বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী। তার বিরুদ্ধে রয়েছে নান অভিযোগ। নাশকতা, মানি লন্ডারিং, জালিয়াতি করে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, চেক প্রতারণাসহ তার বিরুদ্ধে ৭৮টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ৭৭ মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন। শুধু এবি ব্যাংকের ৩২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের একটি মামলায় জামিন পাননি তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে ভারতে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে বৈঠকের খবর প্রকাশ্যে আসায় দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন তিনি। এবি ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের মামলায় বর্তমানে সে চট্টগ্রাম কারাগারে রয়েছেন। এরই মধ্যে তার স্থাবর, অস্থাবরসহ সম্পদের যাবতীয় হিসাব চেয়ে সাত দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার নোটিশ দিয়েছে দুদক। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে গত বুধবার এসে পৌঁছেছে দুদকের নোটিশটি।
এ প্রসঙ্গে আসলাম চৌধুরীর আইনজীবী নাসিমা আক্তার চৌধুরী বলেন, ’দুদক থেকে দেওয়া নোটিশটি আমরা হাতে পেয়েছি। আমরা কারাগারে আসলাম চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করার জন্য বিধি মোতাবেক সময় চেয়েছি। তার সঙ্গে আলোচনা করে সময় বাড়ানোসহ পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

দুদকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণ অর্থ মানি লন্ডারিং করেছেন তিনি।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানা, মহানগরের ১৬ থানায় আসলাম চৌধুরী বিরুদ্ধে ৭৮টি মামলা রয়েছে। ভারতে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে সরকার উৎখাতের চক্রান্তে বৈঠকের অভিযোগে তাকে ২০১৬ সালের ১৫ মে রাজধানী থেকে গ্রেফতার করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ জুলাই এবি ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখা থেকে ৩৭৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে প্রায় ৩২৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে আসলাম চৌধুরী ও তার স্ত্রীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা হয়। বর্তমানে এই মামলায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন তিনি।