বেকারত্ব মিটানোর জন্য চাকরীর পেছনে ছুটে বেকাররা। তবে তাদের সবাই এর আশা থাকে একটি সরকারী চাকরীর। সম্প্রতি গত ২৪ জুন ঝালকাঠিতে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই নিয়োগ পরীক্ষায় অনেকেই অংশগ্রহন করেন একটি চাকরীর আশয়। এই পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা প্রসঙ্গে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুন। ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য তিনি। পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে নিজ গ্রাম গালুয়ার সাত প্রার্থীর জন্য সুপারিশ করায় তার স্বাক্ষরিত সুপারিশপত্রটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এরপর এই নিয়ে অনেকেই নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। এবং স্বাক্ষরিত সুপারিশপত্রটি নিয়ে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়।
পুলিশ সুপার বরাবর করা ওই সুপারিশপত্রে মোট এগারো জনের জন্য সুপারিশ করেন বজলুল হক হারুন।

গত ২২ জুন বজলুল হক হারুন সংসদ সদস্যের প্যাডে পুলিশ সুপারের উদ্দেশে লেখেন, ’ঝালকাঠি জেলার পুলিশ বিভাগে আপনার অধীনে পুলিশ কনস্টেবল (পুরুষ এবং মহিলা) পদে ২৪/০৬/২০১৯ ইং তারিখে কিছুসংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। উক্ত পদের জন্য আমার নির্বাচনী এলাকা (রাজাপুর-কাঠালিয়া)-এর তালিকা দেওয়া হলো। নিম্নলিখিত প্রার্থীদেরকে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ প্রদানের জন্য সুপারিশ করা হলো।’

ওই সুপারিশপত্রে রাজাপুর উপজেলার নয়জন ও কাঠালিয়া উপজেলার দুজনের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে বিশেষভাবে টিক চিহ্নিত করা হয়েছে।

ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুন এই বিষয়ে বলেন, এটি নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে না। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি সুপারিশ করতেই পারি। আমার কাছে যে আসে তাকেই আমি ডিও লেটার দিই, যাতে সে চাকরি পায়। এক্ষেত্রে আমি কারও কাছ থেকে কোনও প্রকার আর্থিক সুবিধা নিয়েছি কিনা সেটি দেখার বিষয়।