নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ইভিএম নিয়ে অনেক জায়গাতে মানুষের ভেতরে একটা ভীতি কাজ করতেছে। কোন কোন ক্ষেত্রে আমরাও কিন্তু পরোক্ষভাবে দায়ী।
বুধবার (১৩ মার্চ) আগারগাঁওস্থ ইটিআই ভবনে উপজেলা নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ’এই যে বলা হচ্ছে যে, মানুষের ভেতরে একটা ভীতি কাজ করতেছে অনেক জায়গাতে। আসলে কোন কোন ক্ষেত্রে আমরাও কিন্তু পরোক্ষভাবে দায়ী। আমরা এমন সব কাজ করেছি যেগুলো ঠিক না। অনেক সময় অত্যন্ত ছোট একটা ভুলে যদি আপনারা পড়ে যান। সেটাকে কিন্তু ভুল হিসেবে মানবে না। ওই সিচুয়েশনে কাউকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের ইচ্ছাটাকে ইমপ্লিমেন্ট করা হয়েছে এটা বলবে। এবং এটা মেনে নিতে হবে। এসব বিষয় মাথায় রেখে সচেতনতার সঙ্গে আপনাদেরকে কাজ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ইভিএম মেশিন শুধু যারা ভোটগ্রহণ করবেন তারাই ব্যবহার করবেন না। যারা ভোট দেবেন তারাও ব্যবহার করবেন। এই ভোটারদেরকেও প্রশিক্ষিত করতে হবে, কীভাবে ভোট দিতে হয়। একই সঙ্গে তাদেরকে সচেতন করতে হবে। একজন প্রশিক্ষককে সব ধরনের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। যাতে তিনি ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দিতে পারেন।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ম্যানুয়ালি ভোটের ক্ষেত্রে আমরা বলে বলে ঠিক করার চেষ্টা করেছি সেটা হচ্ছে যে, ব্যালট পেপারের উল্টো দিকে সিল বা স্বাক্ষর মেরে রাখতো ভোট শুরু হওয়ার আগে। জিজ্ঞাস করলে বলতো যে, স্যার একটু কাজ করে রেখেছি, কাজ এগিয়ে রেখেছি। আমি প্রায় সময় বলি যে, নামাজ পড়াটা হচ্ছে আল্লাহর ইবাদত করা। কিন্তু এশার নামাজটা কি ফজরের সঙ্গে পড়ে নিতে পারবেন? বা জোহরের নামাজটা ফজরে সঙ্গে পড়ে নিতে পারবেন? পারবেন না। এটা অত্যন্ত ভালো কাজ কিন্তু তারপরও আল্লাহ তাআলা এটা এলাউ (অনুমোদন) করেন নাই। সেই ক্ষেত্রে এখানেও একটু প্রবলেম আছে। এ জন্য এগুলো আপনারা বার বার বলবেন যাতে প্রশিক্ষণার্থীদের কানে ঢুকে যায়। শুধু কানে নয়, মগজে, মননে ঢুকে যায়।

সূত্র:বিডি২৪লাইভ