নির্বাচন কমিশন দুটি দিক বিবেচনা করে আমাদের প্রার্থিতা বাতিল করেছে। একটি দিক হচ্ছে যে সব আসনে আওয়ামী লীগের প্রতাপশালী প্রার্থী আছে সে সব আসনে বিএনপির প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে যে সব আসনে বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতা প্রার্থী হয়েছেন সে সব আসনেও তাদের প্রার্থিতা বাতিল করছে বলে মনে করেন তাবিথ আউয়াল। গত বুধবার তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এ ছাড়া আরো কিছু কারণে প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে যেমন, ঋণখেলাপি, বিলখেলাপি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান- যারা পদ না ছেড়েই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বা ছাড়লেও তা এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ে গৃহীত হয়নি, তাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তবে তিনি আশা করেন, বাতিলকৃত আবেদনের বিরুদ্ধে যে আপিলগুলো হয়েছে তা তিন দিনের মধ্যেই নিষ্পত্তি করে নির্বাচন কমিশন যোগ্য ব্যক্তিদের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেবেন।

তিনি বলেন, ১১টি অঙ্গীকার নামার ওপর ভিত্তি করে একটি অভিন্ন নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করতে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট আগামী ৮ ডিসেম্বর, যার মূলে থাকবে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেয়া, কোনো ব্যক্তি দুই বারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না থাকা ইত্যাদি। তবে ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় আসলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন সে ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনের প্রতি কারো আস্থা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকতে চায়, কেননা নির্বাচনটাকে তারা একটি আন্দোলন হিসেবে নিয়েছে। শত বাধা-বিপত্তি পেড়িয়ে তারা নির্বাচন পর্যন্ত যেতে চায়, তবে তার মানে এই নয় যে, অগ্রহণযোগ্য নির্বাচন তারা মেনে নেবেন। তবে নির্বাচন কমিশন যদি একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে পারে তবে জনগণের রায় যা আসবে তা তারা মেনে নেবেন।

সূত্র:আমাদেরসময়