Asif Nazrul মাত্র’ই আপনার একটা সাক্ষাৎকার দেখলাম। সেখানে আপনি বলছেন- ৫৩ বছর বয়েসে এসে এখন আপনার মনে হচ্ছে- বিদেশে থেকে গেলে’ই মনে হয় ভালো করতাম। দেশের মানবাধিকার, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং এর চর্চা নিয়ে হতাশ হয়ে আপনি কথা গুলো বলছিলেন। ইংল্যান্ডে পিএচডি করে সেখনে’ই চাকরী’র অফার ফিরিয়ে দিয়ে ভুল করেছেন বলে বোধকরি এখন হয়ত মনে হচ্ছে। আমি আপনাদের পরের প্রজন্ম। ব্যক্তি আপনাকে আমি বেশ পছন্দ করি। আপনার মতামত প্রকাশের ধরণ আমার বেশ পছন্দের। তবে আমাদের মাঝে হয়ত মতাদর্শে’র পার্থক্য থাকতে’ই পারে। আমি নিজে বিদেশে থাকছি। উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে এসে বিদেশের’ই বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়েন করেছি এবং থেকে গিয়েছি বলা যেতে পারে। পড়াচ্ছি বেশ কিছু দিন হয়ে গেল। আমেরিকা- অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, এশিয়া কতো দেশে’র ছাত্র-ছাত্রী’দের’ই না পড়াচ্ছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- আমি কি সুখি? কিংবা বিদেশে থাকতে’ই বা আমাদের কেমন লাগে? আপনি নিয়মিত লেখালেখি করেন। বেশ ভালো লাগে পড়তে। আমিও যেহেতু লেখালেখি করি, একটা কাজ করলে কেমন হয়- এই নিয়ে আমরা একটা বিতর্কের আয়োজন করতে পারি। বিশেষ করে আমাদের ছাত্র-ছাত্রী আর এই প্রজন্মের ছেলে-পেলেদের জন্য বোধকরি এই আলোচনার দরকার আছে। আমরা চাইলে নিজেদের লেখা’র মাধ্যমে’ই এই বিতর্ক’টা শুরু করতে পারি। কিংবা অন্য যে কোন প্লাটফর্মে।
(আর আপনারা যারা আমার নিয়মিত পাঠক এবং ডঃ আসিফ নজরুলের নানান মতাদর্শের সঙ্গে এক মত নন; দয়া করে ভাষা সমুন্নত রেখে মন্তব্য করবেন। জগতে ভিন্নমত থাকবে। এটা’ই তো সভ্য সমাজের সৌন্দর্য। আমরা আলোচনা করবো, সমালোচনা করবো, তর্ক-বিতর্ক করবো। কিন্তু কেউ কাউকে ব্যাক্তিগত ভাবে আঘাত করবো না। সমাজ এভাবে’ই কিন্তু আগায়। আমি তো আমার মতাদর্শে’র সঙ্গে একদম এক মত নন এমন অনেক’কে ব্যক্তিগত ভাবে রীতিমত ভালোওবাসি।)

উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম।

ধন্যবাদ জানিয়ে রাখলাম আগে থেকে’ই।

(লেখকের ফেসবুক স্ট্যাটাস)
সূত্র:পিবিডি