নিউজ টুডে’র সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন বলেছেন, ১৯৫৪ সালে মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে মানুষ সিম্বলটাকেই বড় করে দেখেছিলো। ঐ পলিটিক্যাল এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলা যায় যে, এন্টি-আওয়ামী লীগ ফোর্স এবার সিম্বলের বেনিফিটটা পাবে। বৃহস্পতিবার বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, ঐক্যফ্রন্টের সব দল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে, এটা ভোটের ক্ষেত্রে এন্টি-আওয়ামী লীগ শক্তিকে এক করে দিলো। দেশে এন্টি-আওয়ামী লীগ একটি ফোর্স আছে। তারা খুবই ইউনাইটেড। গত বারো বছর তাদের ওপর এত নির্যাতনের পরও তারা কিন্তু একসাথেই রয়ে গেছে। সিম্বলের বেনিফিটটা তারা পাবে।
নিউজ টুডে সম্পাদক আরো বলেন, বাংলাদেশের ভোটের হিসাবটা পরিষ্কার। আওয়ামী লীগ-বিএনপির ৩৫%-৩৬%বেসিক ভোট আছে। এ ভোট কিন্তু নড়চড় হয় না। দল-নিরপেক্ষ বা সুয়িং ভোটসহ হিসেব করলে ৪০%-৪৫% হয়। অনেকসময় কম-ভোটের ব্যবধানেও সিট-ব্যবধান বেশি হয়ে যায়। বিএনপি ৩৫% ভোট পাবার পরও ৩০টি সিট পেয়েছিলো। আওয়ামী লীগ ২০০১-এ ৪২% ভোট পাবার পরও ৫৮ সিট পেয়েছিলো। এখন সুয়িং ভোটগুলো কোন দিকে যাবে সেটাই প্রশ্ন।

জামায়াত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করাতে ঐক্যফ্রন্টের অন্য দলের অস্বস্তির কারণ হতে পারে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে রিয়াজ উদ্দিন বলেন, এখন পর্যন্ত কেউ এ বিষয়ে রিয়েক্ট করেনি। জামায়াত কিন্তু দল হিসেবে নির্বাচন করছে না, তারা নির্বাচন করছে ব্যক্তি হিসেবে। তাছাড়া জামায়াত একবারও বলেনি যে, তারা ঐক্যফ্রন্টে যাবে এবং তারা ঐক্যফ্রন্টের কোনো মিটিং-এ অংশগ্রহন করেনি। সুতরাং জামায়াত কোন দলের অস্বস্তির কারণ হবে সেটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

সূত্র:amadershomoy