পৃথীবির মানচিত্রে অনেক দেশ রয়েছে। এই সকল দেশে ধনী-গরীব দুই বিদ্যমান। বিশ্বে অনেক ধরনের প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। বিশ্বের ধনীদের মধ্যো এই প্রতিযোগিতা উল্লেখিত। বিশ্বের বিভিন্ন ধনীদের সম্পদের পরিমান প্রকাশ করে থাকে ফোর্বস সংস্থা। এই সংস্থার বিশ্ব জুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। প্রতি বছর এই সংস্থা ধনীদের সম্পদের পরিমান তুলে ধরে। সাম্প্রতিক সময়ে এই সংস্থা বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নেয়ারের নাম প্রকাশ করেছে। এতে উঠে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রসাধনসামগ্রীর সম্রাজ্ঞী ও টেলিভিশন তারকা কাইলি জেনার নাম।
কাইলি জেনার বড় রকমের সাফল্যের দেখা পেয়েছেন। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের বিশ্বের সেরা তরুণ আত্মনির্ভরশীল ধনীর তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছেন তিনি। ২২ বছর বয়সী এই তরুণীর সম্পদের পরিমাণ ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফ্রি প্রেস জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, তালিকায় ৪০ বছর বয়সের নিচে থাকা ৯০ জন ধনী আছেন। এদের মধ্যে ৫৪ জন নিজের আয়ে ধনী, বাকি ৩৬ জন উত্তরাধিকারসূত্রে ধনী। কাইলির পরের স্থানে রয়েছেন ২৪ বছর বয়সী ভারতীয় উদ্যোক্তা রিতেশ আগরওয়াল।

২০১৫ সালে ঠোঁটের নানা অনুষঙ্গ নিয়ে প্রসাধনী ব্যবসা শুরু করেন কাইলি। ২০১৬ সালে তাঁর প্রতিষ্ঠানের নাম ’কাইলি কসমেটিকস’ রাখা হয়। ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৮ সালে তাঁর প্রতিষ্ঠানের নেট ভ্যালু ছিল ৮০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একাধিক প্রসাধনসামগ্রীর ব্যবসা আছে কাইলির। বোন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টেলিভিশন তারকা কিম কার্দাশিয়ানের সঙ্গে মিলে সম্প্রতি পারফিউমসহ আরো বেশ কিছু পণ্য নিয়ে এসেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ১৬৪ মিলিয়ন অনুসারী রয়েছে জেনারের। অনুসারীর দিক দিয়ে তিনি ইনস্টাগ্রামের ষষ্ঠ জনপ্রিয় তারকা। ক্রেতাদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রসাধনসামগ্রীর মূল্যও সাধ্যের মধ্যে রাখেন জেনার। এ ছাড়া প্রায়ই ক্রেতাদের নানা ধরনের উপহার দিয়ে থাকেন তিনি।

উল্লেখ্য, সমগ্র বিশ্ব জুড়ে ধনী-গরীব দুই বিদ্যমান থাকালেও ধনীর সংখ্যা কম। গরীবের সংখ্যাই বেশি। কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে অনেকে উঠে আসেন ধনীর তালিকায়। তরুন প্রজন্মেরও অনেকেই উঠে আসছেন এই ধনীর তালিকায়। সাম্প্রতিক সময়ে ধনীদের তালিকায় উঠে এসেছে কাইলি জেনার নাম। কেউ পারিবারিক সূত্রে ধনীদের তালিকায় উঠে আসেন। আবার কেউ নিজের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে অর্থ উপার্জন করে উঠে আসেন এই তালিকায়। প্রকৃত অর্থে সফলতা অর্জনের ক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই।