বনানীতে দ্য রেইন ট্রি হোটেলে ধর্ষণের আগে ভিডিও করার কথা স্বীকার করেছেন আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিমের পুত্র সাফাত আহমেদ। গতকাল রোববার রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন ডিবি কর্মকর্তাদের জেরার মুখে এ স্বীকারোক্তি দেন তিনি।
সাফাত জানায়, অভিযোগকারী দুই ছাত্রীর সঙ্গে আসা শাহরিয়ার নামে এক চিকিত্সককে মারধরের দৃশ্য তারা ভিডিও করেছে। তবে ধর্ষণ করার আগে গাড়ি চালক বিল্লাল হোসেন ঐ দুই ছাত্রীর সঙ্গে তাদের ওঠাবসার দৃশ্য ভিডিও করেছেন। তবে ধর্ষণ করার সময় গাড়িচালক ভিডিও করেছে কিনা তা তার জানা নেই।
এদিকে হোটেলের ৭০১ নম্বর কক্ষে মোবাইল ফোনে ভিডিও করার দৃশ্য এখনও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
ছয়দিনের রিমান্ডে নিয়ে সাফাতকে জিজ্ঞাসাবাদকারী কর্মকর্তারা বলছেন, দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের আগে ভিডিও করার কথা স্বীকার করেছেন সাফাত আহমেদ। ধর্ষণ সংক্রান্ত অনেক প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন তারা। আর সাদমান সাকিফ সরাসরি দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায় না নিয়ে ঘটনাটি তার জানা ছিল বলে রিমাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।
ডিবির কর্মকর্তারা বলেন, ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিলে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেছেন। ওই সময় তাদের পরস্পর যোগাযোগ ছিল। এরপর সাদমানসহ বডিগার্ড আজাদ ও গাড়ি চালক বিল্লালকে সঙ্গে নিয়ে তারা সিলেটের উদ্দেশে পালিয়ে যান। তবে নাঈম আশরাফ ওরফে আব্দুল হালিম কোথায় পালিয়েছেন সে বিষয়টি সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য দেননি সাফাত ও সাদমান।
ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত এজাহারভূক্ত বাকি তিন আসামিকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তারা হলেন, এ মামলার এজাহারভূক্ত দুই নম্বর আসামি সাফাতের বন্ধু নাঈম আশরাফ, চার নম্বর আসামি দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ ও পাঁচ নম্বর আসামি গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন।

latestbdnews