ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া গ্রামের পাগলা বাড়ির ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে সারোয়ার ও শিকদার বাড়ির আমির মিয়ার ছেলে আক্তার সৌদি আরবের রিয়াদে থাকেন। সেখানে তাদের মধ্যে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দেশের পুলিশ সারোয়ারকে গ্রেফতার করে। এ খবর গ্রামে পৌঁছলে দুই বাড়ির লোকজনের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুইপক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে অর্ধশত লোক আহত হয়েছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে অন্তত ২০টি বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ উভয় পক্ষের। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।



আহতদের উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে ১৭ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসক।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, এই উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে পাগলা বাড়ি ও শিকদার বাড়ির কয়েকশ লোক দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পরে আত্মীয়তার সূত্র ধরে গ্রামের মেনা বাড়ি ও মোল্লা বাড়ির লোকজন শিকদার বাড়ির লোকজনের সঙ্গে যোগ হলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভৈরব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান বর্তমানে বলেন, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।