সালমান খান দুই দশকের অধিক সময় ধরে বলিউডের বিনোদন জগতের সাথে যুক্ত। তিনি অভিনয় করেছেন অনেক সিনেমায়। তিনি পেয়েছেন বলিউডে অনেক সম্মননা। এবং পেয়েছেন ভারতের জাতীয় পুরষ্কার। তিনি তার অভিনয়ের মধ্য দিয়ে অর্জন করতে পেরেছেন দর্শক জনপ্রিয়তা। তিনি বলিউডের প্রথম সারির একজন অভিনেতা। বর্তমান সময় পর্যন্ত বলিউডে তিনি তার অবস্থান ধরে রেখেছেন।
অ্যাড-গুরু কৈলাস সুরেন্দ্রনাথের হাতেই বলিউডে প্রথম ব্রেক মেলে সলমন খানের। কিন্তু কী ভাবে মিলেছিল সেই ব্রেক? সম্প্রতি এক চ্যাট-শো তে এসে প্রথম ব্রেকের এমন কিছু না জানা তথ্য শেয়ার করলেন সলমন!

সলমনের কথায়, "সি-রক সুইমিং ক্লাবে গিয়েছিলাম। হঠাৎ দেখি, লাল শাড়িতে এক সুন্দরী হেঁটে আসছেন। তাঁকে ইমপ্রেস করতে তখনই ডাইভ দিই জলে। এমন বোকা ছিলাম, পুরো পুল ডুব সাঁতার দিয়ে গিয়েছিলাম, যদি একটু হলেও মন জয় করতে পারি তাঁর। যখন ডুব দিয়ে উঠলাম, দেখি তিনি আর ধারে কাছে কোথাও নেই।"

পরের দিন ফার প্রোডাকশন হাউজ থেকে ফোন আসে সলমনের কাছে। আসতে বলা হয় স্টুডিয়োতে। জানানো হয়, এক কোলা ব্র্যান্ডের জন্য ডাকা হয়েছে তাঁকে। এদিকে সলমনের তো মাথায় হাত! তাঁকেই কেন ডাকা হল কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছেন না। তাঁর নাম্বারই বা কোথা থেকে পেল সেই প্রযোজক সংস্থা, তাও কিছুতেই মাথায় আসছিল না সল্লু ভাইয়ের। যাই হোক, পৌঁছলেন স্টুডিয়োতে। সামনে দাঁড়িয়ে কৈলাস সুরেন্দ্রনাথ। অফিসিয়াল কথা শেষ হতেই সলমন কৈলাসকে জিজ্ঞাসা করে ফেললেন, "সবই তো বুঝলাম। কিন্তু আমিই কেন?"

কৈলাসের উত্তর, "যে মেয়েটিকে ইমপ্রেস করার জন্য সাঁতার কাটছিলে, সে আমার প্রেমিকা। ও-ই আমাকে বলল, তুমি ভাল সাঁতার কাটতে পারো। আমরা এমনই একজনকে খুঁজছিলাম।" ব্যস, আর কী! ভাইজানের ’লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট’ই যে তাঁকে ব্রেক এনে দেবেন, তা কি তিনি নিজেও ভাবতে পেরেছিলেন! গ্ল্যামার জগতে পা রাখলেন সলমন। বাকিটা তো ইতিহাস। ২০১৯-এও সেলুলয়েড কাঁপাচ্ছেন তিনি। গত সপ্তাহতেই মুক্তি পেয়েছে ’দবং ৩’। হাতে রয়েছে প্রভুদেবা পরিচালিত ’রাধে’। পরের বছর ঈদে মুক্তি পাবে সেই ছবি।

প্রসঙ্গত, বলিউডে চলে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে অধিক পরিশ্রম করতে হয় এবং কাজের সেরাটা দর্শকদের মাঝে উপস্থাপন করতে হয়। দর্শকদের উপর নির্ভর করে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কাজের মূল্যায়ন এবং সফলতা। দর্শকদের মনোরঞ্জন করতে সক্ষম না হলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়।