বাংলাদেশের প্রয়াত সাবেক সেনাপ্রধান এবং রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদশের জাতীয়তাবাদি দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমান সময়ে এই দলের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করছেন প্রয়াত জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বর্তমানে তিনি জিয়া অর্ফানেজট্রাষ্ট দূর্নীতির মামলায় সাজা প্রাপ্ত আসামি। তিনি বর্তমানে শারিরীক ভাবে অসুস্থ। কারা গারের নিয়ম অনুসারে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দলীয় নেতাকর্মীরা তার জামিনের জন্য নানা ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এবং পুনরায় তার জামিনের জন্য আদালতে জামিন আবেদন করেছেন।
বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আদালত থেকে শুরু করে যেখানে যেটা করা প্রয়োজন তা করার জন্য আমরা শপথে বলিয়ান, আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র যুগ্ম-মহাসচিব ও যুবদলের সাবেক সভাপতি এডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। শ‌নিবার ২২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় প্রেসক্লা‌বের সাম‌নে জাতীয়তাবাদী মু‌ক্তিযু‌দ্ধের প্রজন্মর উ‌দ্যো‌গে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খা‌লেদা জিয়ার নিঃশর্ত মু‌ক্তির দা‌বি‌তে এক মানববন্ধ‌নে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন। আওয়ামী লীগের ডিএনএ টেস্ট করা উচিত মন্তব্য করে বিএনপি এই নেতা বলেন, আজ আওয়ামীলীগ নাই। আওয়ামীলীগ যদি থাকতো তাহলে তাদের দলের সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে দলের প্রধান এবং অন্যান্য নেতারা বলতো না আওয়ামী লীগে জামাত শিবির ও রাজাকারের সন্তানেরা ঢুকে পড়েছে, সুবিধাবাদীরা ঢুকে পড়েছে। এতই যদি বুঝেন তাহলে আওয়ামী লীগের ডিএনএ টেস্ট করেন। ডিএনএ টেস্ট করে দেখেন আপনি (প্রধানমন্ত্রী) ছাড়া সত্তিকারের আওয়ামী লীগ আছে কি না।

যুবদলের সাবেক সভাপতি বলেন, ঠুনকো অজুহাতে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রাখা হচ্ছে। আর বেসিক ব্যাংকের বাচ্চু কে জুয়ার বোর্ডে বানিয়েছেন কাচ্চু। বাচ্চুকে কাচ্চু বানিয়ে তাকে ধরা হচ্ছে না। দুদক ও তাকে ডাকার সাহস পাচ্ছেনা। অথচ বেসিক ব্যাংকের কেলেঙ্কারি বাংলাদেশের মানুষের মুখে মুখে।এত কিছুর মধ্য দিয়ে আপনার বাবার মুজিব বর্ষ পালন করবেন ভালো কথা জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেন। চাল ডাল পেঁয়াজ নিয়ে অনেক কারবার করেছে। রমজান আর দুমাস বাকি তখন আবার এই তেলেসমাতি শুরু হবে। আর আপনার মন্ত্রীরা বলবে দুঃখ কষ্টের দিন শেষ কচুরিপানার বাংলাদেশ। জাতির সাথে এসব বিদ্রোব জাতি আর বেশিদিন সহ্য করবে না। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের যে লক্ষ্য সেই পথে যত বাধা আসুক আমরা জানি বিবেকবান মানুষ যারা, তারা ইউনিফর্ম পরিহিত হোক, সাধারণ পোশাক পরিহিত ই হোক আপনারা সরকারের দিকে তাকাবেন না। কারণ এই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য এই সরকারের পরিবর্তন অপরিহার্য।

আলাল বলেন, একই কথা বলতে বলতে এখন আর ভালো লাগেনা। এখন কাজ করে কিছু দেখানো উচিত সবার। সেই কাজের প্রচেষ্টায় আমরা মাঠে রয়েছি, ঘরে রয়েছি, টকশোতে রয়েছি, রাস্তায় যে কোন সময়ে রয়েছি, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আদালত থেকে শুরু করে যেখানে যেটা করা প্রয়োজন তা করার জন্য আমরা শপথে বলিয়ান আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি।

উল্লেখ্য, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল একজন বাংলাদেশের রাজনীতিবীদ। তিনি বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদি দল বিএনপির সঙ্গে জড়িত। এছাড়াও তিনি বর্তমান সময়ে বিএনপি দলের যুগ্ম মহাসচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পেশাগত ভাবে আইনজিবী। তিনি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতির সাথে যুক্ত। বর্তমান সময়ে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রীয় ভূমিকা পালন করছেন তিনি।