ঢাকা সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলছে প্রচার প্রচরনা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা এই প্রচারনায় অংশগ্রহন করেছে। তবে ঢাকা সিটি নির্বাচনের তারিখ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিপত্তি। এই বিপত্তির মূলে রয়েছে সনাতন ধর্মীয় অনুষ্ঠান সরস্বতী পূজা। একই দিনে ভোট এবং ধর্মীয় দিন হওয়াতে অসুবিধা তৈরি হয়ছে। তবে নির্বাচন পিছানো হবে না হবে এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোন মতামত প্রকাশ করেনি। তবে সমাজের বিভিন্ন মহল ভোটের দিন পিছানোর আহবান জানিয়েছেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজার কারণে সিটি নির্বাচনের ভোটের তারিখ অবশ্যই পেছানো উচিত বলে মনে করেন ঢাকা দক্ষিণের বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন। বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডি এলাকায় ষষ্ঠ দিনের মতো নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ চলাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছ থেকে নির্বাচন পেছানোর একটা দাবি আসছে, সে ব্যাপারে আপনাদের দলীয় সিদ্ধান্ত কি জানতে চাইলে ইশরাক বলেন, তাদের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। আমরা মুসলমান, আমাদের ঈদের দিন যদি ভোট গ্রহণ হত তাহলে আমরাও ভোট পেছানোর দাবি করতাম। তাই আমি মনে করি অবশ্যই ভোট পেছানো উচিত। তিনি বলেন, আমি মেয়র নির্বাচিত হলে প্রথমে যে কাজটি করবো তা হচ্ছে একটি বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলার লক্ষ্যে যত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তাই নিব। অনিময় দেখার জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে, প্রচারণার ছয়দিনে তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ইশরাক বলেন, আমি একবারও তাদের সঙ্গে দেখা করিনি। তবে আমাদের নির্বাচনী ক্যাম্প থেকে তাদের কাছে প্রতিনিয়ত অভিযোগ যাচ্ছে। তাদের কাছ থেকে আমরা খুব বেশি কিছু আশাও করি না। এখন পর্যন্ত আমি তাদেরকে মাঠেও দেখি নাই।

প্রসঙ্গত, পূর্বে বাংলাদেশের নির্বাচন অনেক ভাবে প্রশ্ন বিদ্ধ হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হয়নি এবং অনেক কারচুপি হয়েছে এমন অভিযোগও উঠেছিল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা সিটি নির্বাচন, এই নির্বাচনেও বিএনপি দলের প্রার্থীরা নানা ভাবে বাধা গ্রস্থ হচ্ছে এমন অভিযোগ রয়েছে। বিএনপি দলের প্রার্থীরা এমন অভিযোগ করছেন। এবং তারা সঠিক ভাবে নির্বাচনী প্রচরনা করতে পারছেন না বলে অভিযোগ তুলেছেন।