আওয়ামীলীগ বর্তমান সময়ের ক্ষমতাসীন একটি রাজনৈতিক দল। এই দলটি অনেক পুরানো একটি রাজনৈতিক দল। এই দলের অনেক সহযোগী সংগঠন রয়েছে। তারা আওয়ামীলীগ দলের হয়ে কাজ করেন। আওয়ামীলীগ দল বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নানা ভাবে চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে। এবং এরই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকারের দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যাক্তিরা। বিভিন্ন ভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে।
প্রধানমন্ত্রীর সত্যভাষণ বিএনপির গাত্রদাহের কারণ বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আসলে প্রধানমন্ত্রী সত্য কথা বলেছেন, সত্য কথা বলার সৎ সাহস তার আছে। ভুলভ্রান্তি স্বীকার করার সৎ সাহস প্রধানমন্ত্রীর আছে। যেখানে অপরাধ হয়েছে তিনি সেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। বুধবার (০৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সমসাময়িক ইস্যুতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে জাতির আশা পূরণ হয়নি বিএনপির এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সবকিছু এই পরিসরে বলা সম্ভব নয়। উনি যে বিষয়গুলো বলা দরকার, যেমন দুর্নীতি নিয়ে বলেছেন। সারা দুনিয়াতে দুর্নীতি আছে, আমাদের দেশেও আছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দুর্নীতিবাজ যেই হোক যত শক্তিশালী হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। এই যে অঙ্গীকার নিয়ে জাতির কাছে দুর্নীতিবিরোধী শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন সেটা অব্যাহত থাকবে। তিনি অঙ্গীকার করেছিলেন মানুষের হক যাতে কেউ কেড়ে নিতে না পারে, সেটা তিনি বাস্তবায়ন করে চলেছে। তিনি বলেছেন আমি আপনাদের হয়ে থাকতে চাই। তারমানে আপনাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে আমি আছি। বাংলাদেশের উন্নয়নের মহাসড়কে আমার ওপর ভরসা রাখুন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী মুখরোচক প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করেন না, তার প্রধান লক্ষ্য তরুণদের কর্মসংস্থান এবং সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ হচ্ছে। আমরা আমাদের যা করণীয় তা করে যাবো, দেড় কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কাজেই ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী কিছু বলেননি, এটা ঠিক নয়।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সর্বশেষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে সে বিষয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে জড়িতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখন হয়তো আরো কথা আসবে, এটার মোটিভ কী, তবে তা এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি। এই মুহূর্তে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে মূল ঘটনার সঙ্গে জড়িত সে গ্রেপ্তার হয়েছে। মেট্রোরেল চলতি বছরের বিজয় মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেটা আদৌ সম্ভব কিনা জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে সবার সঙ্গে আলোচনা করেছি। যে কোম্পানির সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে তাদের টেকনিশিয়ানদের সঙ্গে কথা বলেছি, সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই তারা যে সময় দিয়েছেন তার চেয়ে আমরা সময় আরো বাড়িয়েছি।

প্রসঙ্গত, ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের একজন রাজনীতিবীদ। তিনি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতির সাথে যুক্ত। তিনি বাংলাদেশের আওয়ামীলীগের গুরুত্ব পূর্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবং বর্তমানে দলের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের সরকারের দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।