বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ, লেখক এবং সাবেক সংসদ সদস্য এহছানুল হক মিলন। চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পুনরায় ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যাতে তিনি আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী আলমগীর খান মহিউদ্দীনকে পরাজিত করেছিলেন। বর্তমানে তিনি নানা অভিযোগে অভিযুক্ত। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। এরই প্রক্ষিতে বুধবার (৩ জুলাই) দুপুর ১টায় তিনিি জি.আর ৭ মামলায় অপর আসামীদের নিয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-১ হাজিরা দেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ.ন.ম এহছানুল হক মিলন চাঁদপুর আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিয়েছেন।
২০০৪ সালের কচুয়া উপজেলার কচুয়া বাজারে আওয়ামী লীগ অফিস কার্যালয় ভাংচুরের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় এহছানুল হক মিলনসহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলাটি বর্তমানে জি.আর ৭/২০০৪ মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে।

ওই মামলায় নিয়মিত হাজিরা হিসেবে তিনি বুধবার চাঁদপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট-১ এর বিচারক হাছানুজ্জামানের আদালতে অপরাপর আসামীদের নিয়ে হাজিরা দেন।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান সরকার উদ্দেশ প্রণেদিত ভাবেই বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে।

সাবেক সংসদ সদস্য এহছানুল হক মিলন বলেন, ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর বাহিনীরা নামে বেনামে কচুয়া উপজেলার বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর বহু মামলা দিয়েছে। আর প্রতিটি মামলায় আমাকেই প্রধান আসামী করা হয়েছে। কে বা কারা সেদিন কচুয়াতে তাদের কার্যালয় ভাংচুর করেছে আমি এলাকায় না থাকলেও আমাকেই এই মামলায় প্রধান আসামী করা হয়েছে। এর বিচার যেন আল্লাহ করেন। এহছানুল হক মিলনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. ফজলুল হক সরকার ও জুনিয়র আইনজীবী অ্যাড. মাইনুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এ মামলার অভিযুক্ত আসামী কচুয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি মাসুদ এলাহী সুভাস, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটওয়ারী, জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যান, আব্দুস সালাম শান্ত, শাহজালাল প্রধানীয়া, মিজান চেয়ারম্যান, শরিফুল হক সাজু, রনি তালুকদার, দিপু মিয়াজী সহ আরও অনেকে। এই মামলার
পরবর্তী তারিখ ধার্য্য করা হয়েছে ২৬ আগস্ট।