বাংলাদেশে ইয়াবার আবির্ভাব ঘটে ১৯৯৭ সালে। পরবর্তীতে ২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকণাফ সীমান্ত দিয়ে মায়ানমার থেকে ইয়াবা আসতে শুরু করে। ইয়াবা সেবন বা বিক্রি আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। বর্তমানে এর ব্যাবহার সমাজে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্দেশে পুলিশ প্রসাশন এই ইয়াবা নিরসনে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। রেলওয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা কাঁঠালের ভেতরে করে অভিনব পন্থায় ইয়াবা পাচারের সময় স্ত্রীসহ আটক করেছে র‍্যাব-৪। বুধবার দুপুরে রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন বাবুল খন্দকার (৫২) ও শিউলি বেগম (৩৯)। র‌্যাব তাদের তল্লাশি করে তাদের বহনকৃত কাঁঠাল ভেঙে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।
র‌্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার (সিপিসি-১) মেজর কাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ’গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ রেলওয়ে পুলিশের টিএসআই বাবলু খন্দকার ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তারা অভিনব পন্থায় কাঁঠালের ভেতরে করে ১০ হাজার পিস ইয়াবার চালান বহন করছিলেন।’

র‍্যাব জানায়, আটক বাবলু খন্দকার রেলওয়ে পুলিশে চাকরির আড়ালে ট্রেনে করে নিয়মিত ঢাকায় ইয়াবা এবং গাঁজার চালান নিয়ে আসতেন। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে একটি মাদকের মামলা রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন।

রেলওয়ে পুলিশ বাবুল খন্দকারের গ্রামের বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়া এলাকায় এবং শিউলি বেগমের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কশবা এলাকায়। তারা রাজধানীর দক্ষিণখানের একটি বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে গোমতি এয়ারকন পরিবহনের একটি বাসে করে স্ত্রীসহ ঢাকায় আসেন। ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকায় বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে স্ত্রীসহ বাবলুকে শনাক্ত করা হয়। এরপর তাদের সঙ্গে থাকা কাঁঠাল ভেঙে ভেতর থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।